এবার নোবেলের হিংস্রতার বলির তদন্ত করে গেলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

এবার নোবেলের হিংস্রতার বলির তদন্ত করে গেলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

মার্চ ২৪, ২০১৮ 0 By admin
Spread the love

রোজ শুক্রবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব গোলাম মোস্তফা তদন্তের শেষে খোলা টেবিলে বৈঠক ।

 অনির্বাণ নিউজ রিপোর্টঃ চর কাজল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃক  ছাত্রী আহতের ঘটনা বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির তদন্তের পর আরও একটি তদন্ত হয়ে গেল। গত ২৩-০৩-২০১৮ইং তারিখ রোজ শুক্রবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব গোলাম মোস্তফা তদন্ত করেন গেলেন নোবেলের হিংস্রতার বলি তামিমার ঘটনা। তদন্ত করতে এসে তিনি জেনে গেলেন নারী পিপাসু নোবেলের কর্মকান্ডের অনেক ইতিহাস। উক্ত ঘটনায় মর্মাহত শিক্ষা অফিসার জনাব গোলাম মোস্তফা তার নিজস্ব ফেসবুক একাউন্টে যে হতাশা প্রকাশ করেছেন তা দেখতে (এখানে ক্লিক করুন) ও  এখানে ক্লিক করুননিশ্চয়ই এটা জানতেও বাকি নেই যে মেধাবী ছাত্রী তামিমার চোখে কলম মেরে কত বড় সর্বনাশ করে দিয়েছেন যৌনলোভী মানবরূপী জানোয়ার সাব্বির। কিন্তু প্রকৃত ঘটনার ধোয়াশার কবল থেকে কি সাধারণ জনগণ পুরোপুরি বের হতে পেরেছিলেন? শুধু কথা বলার কারনেই কি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন নোবেল? না, তামিমার অপরাধ শুধু কথা বলাতেই ছিলনা। তার বড় অপরাধ ছিল নোবেলের নারী লোভের একটি ঘটনা জেনে যাওয়া। আর সেটা জেনে যাওয়াতেই তার প্রতি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্ষিপ্ত ছিলেন সাব্বির নোবেল। আর নোবেলের ক্ষিপ্রতার বলি দিতে হল তামিমার শরীরের অমূল্য সম্পদ চোখ বিসর্জনের মাধ্যমে। উপজেলো শিক্ষা কর্মকর্তা আরও জেনে গেলেন সেদিন কার ঘটনার রাজ স্বাক্ষী প্রাইভেট পড়ুয়া বিভিন্ন ছাত্র ছাত্রীদের মুখের জবানবন্দী। আর কানে শুনে গেলেন চর কাজলের আপামার জনসাধারণের একটাই প্রাণের দাবী সাব্বির নোবেলের অপসারণ ! অপসারন!! অপসারণ!!!। দেখে গেলেন চর কাজলের মানুষের আকুতি প্রকাশের একটি মাধ্যম পোস্টার।

অপসারণ ও বিচারের দাবিতে হাট বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , লঞ্চ টলার ঘাটে পোস্টার লাগিয়েছে । প্রচারেঃ অভিভাভকবৃন্দ( চর কাজল)

 কাজলের প্রতিটি জায়গায় সয়লাম সাব্বির নোবেলের অপসারণের পোস্টার। নিজ মুখে শুনে গেলেন গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের অভিব্যক্তি। প্রতিটি স্তরে তিনি শুনলেন শুধু একটাই শব্দ অপসারণ। শুনে গেলেন তামিমার ভাই সজিব খানের আকূল আকূতি-‘‘হয় সুষ্ঠু বিচার করেন, না হয় আমার বোনের  চোখ ফিরিয়ে দেন’’। আর তা না হলে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সজিব আরও আকুতি করেন, স্যার আমাদের দাবি যদি পূরণ না হয় সেটা বলে যান । আর আমরা দুই ভাই ও আমার বাবা আপনার সামনে শুয়ে পরি আপনি জবাই করে আমাদের শেষ দিয়ে যান । শিক্ষা কর্মকর্তা তামিমার ভাইদের কথা শুনে ছিলে স্তব্ধ বিরান! কর্মকর্তার মুখে ছিলো না কোন বুলি । অবশেষে তিনি   নোবেলের যথাযথ   বিচারের আশ্বাস দিলেন ।

ভয়েস অফ পটুয়াখালি একটি গ্রুপে লিখেছে :

বরাবর,
মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, পটুয়াখালী।
দৃষ্টি আকর্ষন: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট)
গলাচিপা উপজেলার চরকাজল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ১০ম শ্রেণি মেধাবী ছাত্রী মোঃ তামিমা আক্তারকে গত ০৫মার্চ প্রাইভেটে বসে কলম মেরে তার চোখ নস্ট করে দেয় একই বিদ্যালয়ের বেপরোয়া ও অনৈতিক চরিত্রে এক শিক্ষক। অভিবাভকসহ এলাকাবাসী এর বিচার দাবী করছেন। এছাড়াও ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যক্লাবসহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে।

  গত ০৫ মার্চ ২০১৮ ইংরেজি  রোজ সোমবার বিকাল চারটার সময়   অত্র বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির  ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্র- ছাত্রী  সাব্বির আহমেদ নোবেল এর ভাড়া করা প্রাইভেট ঘরে পড়তে যায় । ঐ দিনেই মেধাবী ছাত্রী  তামিমার জীবনের একটি বড় ক্ষতির ঝুলি মাথায় উঠিয়ে দিলেন শিক্ষক নামের অমানুষ নোবেল ।

 পূর্বের সংবাদ  

এই সম্পর্কীও খবর

Recent Posts