বরিশাল সদর রোডে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, রক্তাক্ত সাংবাদিক

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বেশ কিছু কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি সোমবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সদর রোডে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, আওয়ামী লীগ ও বাসদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহাবুব সদররোড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় তার কাছাকাছি দূরত্বে বাসদের মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী ও নেতাকর্মী নিয়ে আসছিলেন। হঠাৎ করেই সিটি কলেজের গেট থেকে তাদের উদ্দেশ করে কতিপয় যুবক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে ত্রিমুখী সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এসময় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাপারসন আহত হন।

ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের দাবি- নৌকার সমর্থকরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের ও বাসদের মিছিলের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

এদিকে নগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জয়নাল আবেদীন ও এটি এম শহীদুল্লাহ কবিরের সমর্থকদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রথমে মারামারি ও পরে সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যা নগরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ থেকে সদররোডে ছড়িয়ে পরে। প্রায় একঘণ্টার ব্যবধানে বিজিবি ও র‌্যাব-পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে সকালে সৈয়দা মজিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আর এই কেন্দ্রেই সকালে মজিবর রহমান সরওয়ারকে ঘিরে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করে আওয়ামী নেতা-কর্মীরা।

পাশাপাশি নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গোরস্থান রোডে সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডি.ডি এফ সিনিয়র ও হাফেজি মাদ্রাসায় এবং নগরের দক্ষিণ আলেকান্দার কিশোর মজলিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইভিএম এ ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে তা নিয়ন্ত্রণে আসে।

এছাড়াও ভোট জালিয়াতির অভিযোগে এরইমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বিএনপির প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।’

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।